অগ্নিগর্ভ ফ্রান্স: মে ’৬৮-র পুনরাবৃত্তি?
সংকল্প জরাজীর্ণ স্কুলবাড়ি আর এদিকে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব, তাই আন্দোলন। শুনলে অনেকে অবাক হবেন, আমি পশ্চিম বাংলার কথা বলছি না। বলছি সুদূর ফ্রান্সের কথা। “ফ্রান্স হাঁচলে পরে গোটা ইউরোপের সর্দি লাগে”। ১৮৩০-এর বিপ্লবের সময়ে অস্ট্রিয়ার রক্ষণশীল রাষ্ট্রনায়ক মেটারনিখ বলেছিলেন এই কথা। তারপর ’৪৮, ’৭১ হয়ে বিংশ শতাব্দীর ’৬৮, বরাবরই ফ্রান্স এগিয়ে থেকেছে সামাজিক বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের প্রশ্নে। ২০২৬-এর অক্টোবর মাসে এসে আবার ইউরোপ সহ গোটা পৃথিবী জুড়ে শিক্ষার্থী-যুবদের নেতৃত্বে লড়াকু গণআন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ছে প্রায় একইরকম কতগুলি দাবি নিয়ে। আর আন্তর্জাতিক সংবাদে শিরোনাম ছাড়তে নারাজ ফরাসী দেশ। সূত্রপাত দক্ষিণপূর্ব প্যারির ক্রেতেই অঞ্চলে অবস্থিত স্যাঁত - এগজ্যুপেরি নামক সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে , সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি । এরপর অক্টোবরের মধ্যে দেশের প্রায় অর্ধেক মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে ছড়িয়ে পড়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ । এর সাথে যুক্ত হয় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও “ হলুদ জ্যাকেটধারী ” আন্দোলনকারীরা । ২০১৮ সালের নভেম্বরে ম্যাক্রোঁ সরকার এই “ হলুদ জ্যাকেটধারী ” আন্দোলনকারীদের সম্মুখীন হয়েছ...