আরশোলা যুদ্ধ জিতেছে, যে ইকোনমিক গ্রোথ তাদের জন্ম দিয়েছিল, তা এখনও থামেনি
শঙ্খশুভ্র বিশ্বাস ১৫ মে, ভারতের প্রধান বিচারপতি একটি প্রতারণামূলক আইনি প্রমাণপত্র সংক্রান্ত আদালত অবমাননার রুটিন মামলা শুনতে গিয়ে দেশের বেকার যুবসমাজ নিয়ে একটি মন্তব্য করে বসলেন। তিনি বললেন, তারা আরশোলার মতো, ব্যবস্থার শরীরে বেঁচে থাকা পরজীবী। এমন মন্তব্য একজন ক্ষমতাবান মানুষই করতে পারেন, যিনি ধরে নেন ক্ষমতার শিখরে থাকায় কেউ তাঁদের ছুঁতে পারবেনা আর সাধারণ যুবদের কথায় কিছু আসে যায় না। একদিনের মধ্যেই, বোস্টন থেকে সদ্য পড়াশোনা শেষ করে ফেরা কুড়ি-বাইশের এক স্নাতক অভিজিৎ দীপকে, এই অপমানকেই একটা নতুন নাম দিলেন, ককরোচ জনতা পার্টি। তিন দিনের মধ্যেই তার অনুগামী দশ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। জুলাইয়ের মধ্যেই তার ইনস্টাগ্রাম অনুগামীর সংখ্যা ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির চেয়েও বেশি হয়ে গেল। তাদের কোনও দফতর ছিল না, কোনও তহবিল ছিল না, একটা রসিকতা ছাড়া কোনও ইস্তেহারও ছিল না, একটা রসিকতা যা কিছুতেই ফুরোতে চাইছিল না। তারপর, ৪ জুন, নিট বা ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এনট্রান্স টেস্ট, যে পরীক্ষা ঠিক করে দেয় ভারতের ভবিষ্যৎ চিকিৎসক কারা হবেন, তা আরও একবার প্রশ্নফাঁসের কবলে পড়ল। প্রায় বাইশ লক্ষ তরুণ-তর...