Posts

Showing posts from July, 2020

বিদ্যুতের বিলে ইলেক্ট্রিক শকঃ স্বস্তির উপায় কি?

Image
রিপোর্টঃ সনু লকডাউনের আকাশ আংশিক পরিষ্কার হতেই মানুষ যেখানে রুজী রোজগারের টানে পথে নেমে প্রতিকূল পরিস্হিতির সাথে লড়াই করছে, সেখানেই এ রাজ্যের অন্যতম একচেটিয়া (পশ্চিমবঙ্গের বেশকিছু অঞ্চলের একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর; বাকি অঞ্চলে রয়েছে রাজ্য সরকারের WBSEDCL)) বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্হা CESC এক নতুন কারচুপিতে মত্ত। এমনিতে আমফানের সময়ে CESC-র ঐতিহাসিক ভূমিকা সকলের জানা। দীর্ঘদিন বিদ্যুতের অভাবে নাকাল সাধারণ মানুষ রাস্তায় প্রতিবাদে নামতে বাধ্য হয়েছিল। আগে থেকে ঝড়ের সতর্কতা সত্ত্বেও কর্মীর অভাব এবং গাছ কাটার ক্ষেত্রে পৌরসভা ও পরবর্তীতে সেনার সাথে সমন্বয়ের খামতি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলেছিল। গত ৩রা জুন, SUCI(C) প্রভাবিত ABECA ভূগর্ভস্থ বিদ্যুতের লাইন, বিদ্যুৎপৃষ্টদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং ২০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুতের দাবী রেখেছিল। রাজ্য সরকারও নিজেদের দায় এড়িয়ে একদা মমতা ব্যানার্জীর বিদেশ সফর সঙ্গীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে কুন্ঠা বোধ করেনি। কিন্তু এই আপাত জনকল্যাণে ব্রতী হওয়ার তৃণমূলের নাটকের সারশূন্যতা প্রকাশ পাচ্ছে বর্তমান ইলেক্ট্রিসিটি বিলের বাস্তবের সাথে সঙ্গতিহীন দেয় টাকার অঙ্কে। আমফানের ফ

ভারতের কৃষি অর্থনীতির বর্তমান চরিত্র ঠিক কি?

Image
সুমিত ঘোষ ভারতবর্ষের কৃষি যে মূলত আধা-সামন্ততান্ত্রিক এ বিষয়ে এ দেশের সমস্ত কমিউনিস্ট পার্টি একমত। তাদের কেউ কেউ এর সাথে কৃষি অর্থনীতির চরিত্রকে আধা-পুঁজিবাদী বলে, আবার কেউ কেউ (মূলত নকশালপন্থীরা) একে আধা-ঔপনিবেশিক হিসেবে চিহ্নিত করে। লক্ষণীয়, কৃষি প্রশ্ন এবং জাতীয় কংগ্রেসকে মূলত কেন্দ্র করেই কমিউনিস্টদের এত ভাঙন। ফলে প্রশ্ন ওঠে, ভারতের কৃষি অর্থনীতির বর্তমান চরিত্র আসলে ঠিক কিরকম?     পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠার প্রাক্‌-সর্তটাই হল সমাজের দুটি শ্রেণীতে বিভক্তিকরণ-এক, যাদের হাতে উৎপাদনের সকল উপায়-উপকরণ কেন্দ্রীভূত হয়েছে এবং দুই, যারা নিঃস্ব, নিজেদের শ্রম ছাড়া আর কিছুই দেওয়ার নেই। এই উৎপাদনের উপায়-উপকরণের কেন্দ্রীভবনের জন্য প্রয়োজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ লুণ্ঠন, যাকে মার্ক্স ‘আদিম সঞ্চয়ন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এ দেশের সমস্ত কমিউনিস্ট পার্টিই যেহেতু মনে করে যে কৃষি ব্যবস্থা সামন্ততান্ত্রিক বা প্রাক্‌-পুঁজিবাদী অবস্থায় রয়েছে, ফলে কর্পোরেটদের জমি লুণ্ঠন তাদের সামনে ‘আদিম সঞ্চয়ন’ হিসেবেই প্রতিভাত হয়। যেহেতু সামন্ততন্ত্র থেকে পুঁজিবাদে উত্তরণ ব্যতীত সমাজতন্ত্রের লড়াইয়ে আগুয়ান হওয়া সম্ভব নয়,

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনী: খেটে খাওয়ার স্বার্থের পরিপন্থী?

Image
রিপোর্টঃ সাত্যকি দত্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আগ্রাসন এবং দেশে করোনার লাগামছাড়া সংক্রমণ- এই দ্বৈত আঘাতে যখন সারা দেশে অর্থনীতির ভারসাম্য বিপর্যস্ত, ঠিক সেই সময়ে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের একের পর এক অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের কুপ্রভাব এসে পড়ছে সাধারণ নাগরিকের ওপরেই। এই মুহূর্তে অশোধিত তেলের দাম কমতে থাকলেও পেট্রল-ডিজেলের দাম ক্রমবর্ধমান, রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি কমিয়ে ঘুরপথে দাম বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে। সারা দেশের সংযোগকারী প্রাণভোমরা রেলপথকে ধাপে ধাপে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার পথ নেওয়া হচ্ছে। আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের জনবিরোধী রূপ প্রকাশ্যে এসে পড়েছে, আর তার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ- কিছু দিন আগেই পাশ হয়ে যাওয়া অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনী। ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন অনুযায়ী খাদ্যশস্য, ডাল, খাদ্যবীজ, তৈলবীজ, পেঁয়াজ ও আলুর মত কৃষিপণ্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তালিকাভুক্ত ছিল। মূলতঃ খাদ্যশস্য নিয়ে কালোবাজারি বন্ধ করার জন্য এই আইনটি আনা হয়েছিল। বর্তমানে এই আইনটি সংশোধন করে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে, ফলে কৃষকরা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণকারী, বড় পাইকার, রফতানিকারকদের সঙ্